'সন্দেশ
ফ্রেমে আটক করেছে Shuvo ।
হাতের বইটা নিয়েই ছবিটার সারসংক্ষেপ। হাতের বইটার নাম হলো '' সেরা সত্যজিৎ '' । Saima কে এই বইয়ের ভূমিকাটি পড়ে শোনাচ্ছিলাম। এই বইয়ের ভূমিকাটি খুব ব্যতিক্রমী ও মজার। লিখেছে সত্যজিৎ রায় নিজেই। এই বইটার সাথে পরিচয় শুভ'র মাধ্যমে; কলেজে পড়ার সময়। তখনই জানতে পারছিলাম যে, সত্যজিৎ রায় এর মতে, ''এই বই নাড়াচাড়া করলে বাইসেপ-ট্রাইসেপ এর বেশ উন্নতি হতে পারে, এতে কোন সন্দেহ নেই।''
এই ভূমিকাতেই লেখা আছে, কিভাবে এবং কত বছর বয়সে সত্যজিৎ লেখালেখির ভুবনে পা রাখলো; কিভাবে '
'সন্দেশ '' আবার পুনরায় বাজারে ফিরলো; এসব।
.
''৪০ বছর বয়সে সুমন গিটার ধরলো; ৪০ বছর বয়সে সত্যজিৎ লেখা শুরু করলো; আর আমরা ২৬ বছর বয়সে হতাশ হই! জীবন খুঁজে নিতে চাই না! আমাদের কাছে জীবন মানে সব আজকেই চাই। এ যেন ফুডপান্ডার ডেলিভারি! হায়রে!''
অতঃপর জীবনের পথচলার রাস্তায় তার সাথে আর মুক্তির দেখা হলো না। দূরবীনে চোখ রেখেও মিললো না নাবিকের হাতছানি। এভাবেই পার হয়ে যাবে বছর কুড়ি। সূর্যের দূরত্ব মাপায় আসবেনা কোন আশানুরূপ ফলাফল। তারপর দোষ জীবনের; দোষ ভাগ্যের; দোষ আশেপাশের মানুষগুলোর। কিন্তু সাঁতার শেখার জন্য একবার ডুব দিলেই হত; ঘাসের একবার পা শিশিরে ভেজালেই হত; সামান্য এটুকুই করতে রাজি না।


No comments