Rurouni Kenshin : Saga
এড করা জরুরি , আগে বিটিভিতে অ্যানিমেশনটা নিয়মিত দেখানো হত।
যারা ভিলেন দেখতে ভালোবাসেন তাদের জন্য রুরৌনি কেনসিন ফরয।
আমি কোন রিভিউ দিচ্ছি না। শুধু আমার আবেগটা প্রকাশ করতিছি।
আজ থেকে দুই মাস আগের ঘটনা।
জাপানের বিখ্যাত(পরে খোজ পাইলাম) অ্যানিমেশন সিরিজ রুরৌনি কেনসিন। এর ৬০ টা পর্বের মধ্যে প্রথম ৮টা পর্ব আমাকে দিল বন্ধু রিয়াজুল হাসান শুভ। তখন প্রথম ৫ টা দেখলাম।
তারপর মার্চ মাসের ১০ কি ১২ তারিখের ঘটনা। শুভ ৬থেকে ১৭ পর্যন্ত দিল। তার কয়েকদিন পরে সবগুলা নিয়ে নিলাম। মার্চ মাসের ১০ তারিখ থেকে শুরু করে ২৪শে মার্চ পর্যন্ত সিরিজের ২২ টা পর্ব দেখেছি। কিন্তু অবাক করা বিষয় হল, গত ২৫ শে মার্চ থেকে শুরু করে আজকে পর্যন্ত সিরিজের ২৩ থেকে শুরু করে ৬২ পর্যন্ত দেখছি। এই এনিমেশন গুলা নিয়ে জাপানে ৩ টা মুভি বানানো হইছে ওগলাও দেখলাম। এতকিছু বলার মুল কারণটা হল যে আমার কতটা ভালো লাগছে দেখেই এগলা শেষ করতে পারলাম।
আসল কথায় আসি। জীবনে প্রথম কোন অ্যাকশন মুভি দেখে ইমোশনাল হয়ে গেলাম।এই মুভিগুলা যে আবেগকে এতটা নাড়া দিবে তা কখনও বুঝতে পারিনি। imotional attachment of these films are undoubtly tremendous, marvelous. সিরিজগুলা না দেখলে হয়তবা এতটা ভালো লাগতো না।
অ্যানিমেশন বললে অনেকে আবার পার্ট মনে করতে পারেন তাই কার্টুন বলাই শ্রেয়। কার্টুনের মিউজিক যে অন্য ১০০টা ফিল্মের মিউজিকের চেয়েও বৃহৎ আকারে ভালো হতে পারে তার উত্তম উদাহরণ হল রুরৌনি কেনসিন। এই কার্টুনের মিউজিকের ধারে কাছেও যেতে পারবে না অনেক ভিনদেশিও একশন চলচ্চিত্রও, তা অনায়াসেই বলা যায়। মিউজিক সেটেলমেন্ট , ভিলেনের সুদর্শন আগমন, কাহিনীর দীর্ঘ পরিকল্পনা, ডায়লগের গভীর চিন্তাধারা আর নায়কের অতীতের শাপ মুছানো স্মৃতি --- সব মিলিয়ে আমাকে অন্য এক জগতে ভ্রমণ করালো তারা।
১০/১০
আর মুভি সম্পর্কে যা বলব তা হল, কান্না করায় ছাড়ছে আমাকে। ভালো লাগার সর্বোত্তম পর্যায় নিয়ে গেছে।মুভিগুলার সিনেমাটোগ্রাফি আর ক্যামেরার কাজ এতটাই এতটাই স্বচ্ছ যে, যেকোন প্রজাতির মানুষকে স্তব্ধ করে দিতে পারে। শুভ তুই এই তিনটা মুভিকে সেরা ট্রিলজি বলছিস, খারাপ বলিস নি। অবশ্য এই তিনটা মুভিকে আমি মুভি না বলে বলব, তিন বাধনে আটকানো এক সুগঠিত মহাকাব্য।এই মুভি তিনটাকে নাগাদারে স্বার্থক থ্রিলার,স্বার্থক ড্রামা ও স্বার্থক অ্যাকশন মুভি হিসেবে আখ্যায়িত করা যাবে। এই মুভি তিনটার মধ্যে ২য়টার (kyoto inferno) এর ড্রামা সাইডটা যথেষ্ঠ উৎকৃষ্ট। খালি উৎকৃষ্ট না, ভয়ানক ভালো। ওয়ান টেকের শটগুলা আর ওয়ান টেকের অ্যাকশন গুলা চোখ ধাধানো ছিল। ৩য়টা মানে the legends ends মুভিটাতে অনেকগুলা চরিত্রের ইতি টানতে গিয়ে ড্রামা দিকটা চাপা পরে অ্যাকশন দিকটা বেশি প্রাধান্য পাইছে। তবে এটার দরকার ছিল। ৩য় মুভিটাতে স্মৃতি বিচরণের সিনগুলা খুব মায়াবী ভাবে দেখানো হইছে,এটা খুব ভালো লাগছে।
❤
জানিনা তোর (শুভ) কাছে এই লাইনগুলা কেমন লাগবে কিন্তু আমি এই তিনটা মুভিতে একটা জিনিস কমন পাইসি। সেটা হল #CINAMATIC_REVOLUTION । অ্যানিমেশন থেকে অনেকটা চেঞ্জ করলেও আমি এই ট্রিলজিকে স্বার্থক বলব।
শুভকে ধন্যবাদ।
.
.
spoiler alert
.
.
.
.
And last one thing for #rhshuvo, aaoshi shinimori is the longest villain of this series, ১৫ তম পর্বে সে প্রথম আসে, তারপর চলে যাওয়ার পর আবার ৩৫-৩৬ থেকে ৫২ পর্যন্ত তাকে চোখে পরার মত ছাপ ছিল। আবার সে শেষের দিকে আসে। সর্বোপরি তার একটা ব্যাপ্তি ছিল অ্যানিমেশনে । কিন্ত মুভিতে এইটা টোটালি skip করে গেছে ।
lastly,এটা আমার সৌভাগ্য যে আমি এটা দেখতে পেরেছি।


No comments